আমার বাংলা ডিজিটাল ডেক্স :
সব পুজোর আগে কেন করা হয় গণেশের পুজো? কেন তাকে বলা হয় সিদ্ধিদাতা, কেন তিনি বিঘ্নকর্তা? তিনি অশুভ নাশ করতে প্রয়োজনে অস্ত্র ধারণ করে থাকেন।গণেশ পুজো করলে কী ফল মেলে?
গণেশের বহু নাম। বহু রূপ। তন্ত্র মতে গণেশের পঞ্চাশটি নাম আছে। প্রত্যেক নাম অনুযায়ী একজন করে শক্তিও আছেন। আবার পদ্মপুরাণ অনুযায়ী তিনি বারোটা নামেই সন্তুষ্ট।
দেশের বিভিন্ন জায়গায় গণেশের মূর্তি দেখা যায় আপাদমস্তক সিঁদুরে ঢাকা। কিন্তু আমাদের রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গে গণেশের মূর্তির মুখমন্ডল সাদা, কিংবা লাল থেকে গোলাপি।আবার মহারাষ্ট্রের সংস্কৃতিকে অনুসরণ করে হালকা হলুদ রঙের গণেশও পুজো করা হচ্ছে।
কেন গণেশের পুজো আগে করা হয়
গণেশের জন্মকাহিনি নিয়ে মতান্তরের অন্ত নেই। তবে গণেশের গজমুন্ড প্রাপ্তি সম্পর্কে একাধিক মিথ প্রচলিত আছে। তবে গণেশের এই রূপ দেখে যাতে কেউ অনাদর না করে তাই দেবতারা বর দিয়েছিলেন প্রত্যেক দেবতার মধ্যে গণেশ আগে পুজো পাবে।এর অন্যথা হলে সেই পুজোর ফল মিলবে না।
গণেশর কেন একটা দাঁত ভাঙা
গণেশ পরম মহাপরাক্রমশালী। বিপদ এলে তিনি রুখে দাঁড়ান। প্রয়োজন হলে তিনি অস্ত্রও ধারণ করেন। যুদ্ধেও পারঙ্গম। পুরাণে আছে বিষ্ণুর অবতার পরশুরামের সঙ্গে যুদ্ধ করেন। যুদ্ধ করার সময় পরশুরামের কুঠারের আঘাতে গণেশের একটা দাঁত ভেঙে যায়। তাই তিনি একদন্ত।
গণেশ কেন সিদ্ধিদাতা
শাস্তমতে প্রাচীনকালে ভারতীয় অক্ষরকে ‘ সিদ্ধম’ বলা হতো। সেখান থেকেই এসেছে প্রথমেই ‘সিদ্ধি’ শব্দ লেখার নিয়ম। সুতরাং গণেশের ‘সিদ্ধিদাতা’ নাম এসেছে এই ‘সিদ্ধম’ থেকে। লেখালেখিতে যিনি সফলতা দান করেন, তিনিই সিদ্ধিদাতা।

